শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি: এই ১০Proven কৌশল মেনে শুরু করুন এখনই

শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি শুরু করতে চান? ঘরে বসেই কিভাবে সহজে প্র্যাকটিস করবেন, কোন PDF বা বই ব্যবহার করবেন, এবং স্কোর বাড়ানোর কার্যকর টিপস, আইএলটিএস পড়ার রুটিন, Ielts এর জন্য প্রয়োজনীয় গ্রামার এবং কার্যকরী কৌশল—সবকিছুই সহজ ভাষায়, বাস্তব উদাহরণসহ এই আর্টিকেলে জানুন। আজ থেকেই প্রস্তুতি শুরু করুন এবং নিজের উন্নতি টের নিন!
শূন্য-থেকে-ielts-প্রস্তুতি
এই গাইডে আপনি পাবেন ধাপে ধাপে রুটিন, নতুনদের জন্য ফ্রি শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি PDF রিসোর্স, গ্রামার ও শব্দভান্ডার উন্নত করার সহজ কৌশল। ছোট ছোট অভ্যাস এবং নিয়মিত প্র্যাকটিসের মাধ্যমে ঘরে বসে আপনার IELTS স্কোর দ্রুত বাড়ানো সম্ভব। প্রস্তুতি আরও কার্যকর এবং আনন্দদায়ক করতে এখনই শুরু করুন!

পোস্ট সূচিপত্রঃ শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি/ শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি pdf কিভাবে ডাউনলোড করব

IELTS কি? সহজ ভাষায় জানুন

বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি বা স্থায়ীভাবে থাকার স্বপ্ন দেখলেই প্রথমেই যে নামটি মাথায় আসে—তা হলো IELTS। কিন্তু অনেকেই এখনো ঠিকভাবে জানেন না, IELTS কি এবং কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ। খুবই সহজ ভাষায় বললে, IELTS হলো একটি আন্তর্জাতিক ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষা, যা দেখে বোঝা যায় আপনি ইংরেজিতে কতটা বুঝতে পারেন, বলতে পারেন, পড়তে পারেন এবং লিখতে পারেন। 

বিশ্বের ১০,০০০-এর বেশি প্রতিষ্ঠান এই পরীক্ষার ফলাফল গ্রহণ করে—যার মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়, চাকরির কোম্পানি, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থা।
কেন IELTS এত গুরুত্বপূর্ণ?
  • ধরুন আপনি বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে চান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমেই দেখতে চাইবে আপনি ইংরেজিতে ক্লাস বুঝতে পারবেন কিনা। আবার কেউ বিদেশে চাকরি করতে চাইলে তার ইংরেজি যোগাযোগ দক্ষতার প্রমাণ চাইবে। এইসব বিষয় প্রমাণ করার জন্যই IELTS স্কোর একটি বৈধ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড। তাই বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলে IELTS স্কোর যেন একটি ‘পাসপোর্ট’-এর মতো কাজ করে।
IELTS কি – খুব সহজভাবে এক কথায় জানুন-
  • IELTS হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক পরীক্ষা, যা দেখায় আপনি ইংরেজি ভাষা কতটা ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারেন। বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি বা ইমিগ্রেশন—যেখানেই যান না কেন, IELTS স্কোর সেখানে আপনার যোগ্যতার প্রমাণ দেয়। আর সঠিক পরিকল্পনা ও ধারাবাহিক অনুশীলন করলে যে কেউ শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি শুরু করে খুব কম সময়ে উচ্চ স্কোর অর্জন করতে পারে।

শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি – একদম শুরু থেকে সফলতার পথে

IELTS নাম শুনলেই অনেকের মনে ভয় ঢুকে যায়। মনে হয়—“ইংরেজি এত কঠিন! আমি কি পারবো?”
আসলে সত্য হলো, IELTS এমন একটি পরীক্ষা যাকে আপনি নিয়মিত অনুশীলন করলে খুব সহজেই জয় করতে পারবেন। বিশেষ করে আপনি যদি একেবারে নতুন হন, তাহলেও কোনো সমস্যা নেই। এই আর্টিকেলটি আপনাকে একদম শূন্য থেকেই IELTS প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ধাপে ধাপে পথ দেখাবে।

ভাবুন তো, এমন একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে আপনি বিদেশে পড়াশোনা, চাকরি বা ইমিগ্রেশনের দরজা খুলতে পারেন—তা কি আর চেষ্টা না করে থাকা যায়? আসুন খুব সহজ, বাস্তবসম্মত এবং প্রাকৃতিক ভাষায় পুরো গাইডটি দেখে নিই।
শূন্য-থেকে-ielts-প্রস্তুতি
⭐ IELTS আসলে কী? নতুনদের জন্য ছোট্ট ব্যাখ্যা
IELTS হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক মানের ইংরেজি দক্ষতা পরীক্ষা। এতে চারটি অংশ থাকে—Listening, Reading, Writing এবং Speaking। আপনার ইংরেজি ব্যবহার, বোঝা, লেখা ও বলার ক্ষমতাকে একটি স্কোরের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়। সুতরাং বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণে IELTS হলো আপনার প্রথম সিঁড়ি।

⭐ কেন শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি শুরু করাই সবচেয়ে ভালো?
    • আপনি একদম নতুন মানে আপনার অভ্যাস এখনো গড়ে ওঠেনি। তাই শুরু থেকেই সঠিক পথে অনুশীলন করলে অল্প সময়েই আপনি অনেক এগিয়ে যেতে পারবেন।
    • মনোযোগ দিয়ে প্রতিদিন ১–১.৫ ঘণ্টা সময় দিলে কয়েক সপ্তাহেই আপনি নিজের পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।
ভাবুন তো, আপনার সামনে বিদেশে পড়াশোনা বা চাকরির একটা বড় সুযোগ দাঁড়িয়ে আছে—শুধু IELTS স্কোরটাই দরকার। অনেকেই ভাবে IELTS খুব কঠিন, আবার কারও মনে হয় ইংরেজি না জানলে শুরু করাই সম্ভব নয়। কিন্তু সত্য হলো, আপনি যদি মন থেকে চেষ্টা করতে চান, তাহলে শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি শুরু করাও খুব সহজ এবং আনন্দদায়ক হতে পারে। সবকিছুর শুরু হয় একটাই প্রশ্ন থেকে—“আমি কি সত্যিই পারবো?” আর এর উত্তর হলো, “হ্যাঁ, অবশ্যই পারবেন”, যদি নিয়মিত অনুশীলন করেন এবং সঠিক পথে এগিয়ে যান।

নতুনরা যে ভুলটি সবচেয়ে বেশি করে, তা হলো—IELTS শুরু করতে গিয়ে অজস্র ভিডিও, নোট আর কোর্স দেখে মাথা গরম করে ফেলে। কিন্তু আপনাকে এত জটিল পথে হাঁটতে হবে না। প্রথমে খুব সাধারণভাবে জেনে নিন IELTS-এর চারটি অংশ—Listening, Reading, Writing, এবং Speaking—এগুলোতে আসলে কী কী জানতে চায়। যখন পরীক্ষার পুরো কাঠামোটা পরিষ্কার হয়ে যাবে, তখনই আপনার মনে একটা আত্মবিশ্বাস জন্মাবে।

এখন ধরুন আপনি একদম শুরু অবস্থায় আছেন। সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো ছোট ছোট অভ্যাস তৈরি করা। প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট ইংরেজি শুনুন—খবর, ডকুমেন্টারি বা ইউটিউব—যা খুশি। Listening-এর জন্য এটাই সবচেয়ে কার্যকর প্র্যাকটিস। এরপর দিনে ১৫ মিনিট ইংরেজি কিছু পড়ার অভ্যাস করুন—ব্লগ, গল্প, নিউজ—যে কিছু ভালো লাগে।

এতে আপনার Reading স্কিল নিজের অজান্তেই শক্তিশালী হয়ে যাবে। Writing-এ যেতে হলে আগে ছোট করে লেখা শুরু করুন—প্রথমে ৭০–১০০ শব্দের ছোট অনুচ্ছেদ লিখুন, তারপর ধীরে ধীরে ১৫০ ও ২৫০ শব্দে যান। আর Speaking? এটি আসলে সবচেয়ে সহজ—মোবাইলের সামনে দাঁড়িয়ে ২ মিনিট যেকোনো বিষয়ে কথা বললে আপনার আত্মবিশ্বাস দ্রুত বাড়বে।

অনেকে জানতে চায়—শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি PDF কিভাবে ডাউনলোড করব? কারণ শুরু করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট গাইড দরকার। খুব সহজ! গুগলে বাংলায় বা ইংরেজিতে লিখলেই অসংখ্য PDF, নোট, কেমব্রিজ বই, ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফ্রি স্টাডি ম্যাটেরিয়াল পেয়ে যাবেন। চাইলে আমি চাইলে আপনার জন্য সেরা ফ্রি রিসোর্সগুলোর তালিকাও সাজিয়ে দিতে পারি।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, শূন্য থেকে শুরু করলে আপনার শেখার যাত্রাটা একদম পরিষ্কার থাকে—কোন ভুল অভ্যাস নেই, কোন মিক্স-আপ নেই। যদি আপনি প্রতিদিন ১–১.৫ ঘণ্টা সময় দিতে পারেন, তাহলে মাত্র ২ থেকে ৩ মাসেই ৬.৫ থেকে ৭ ব্যান্ড পাওয়া একেবারেই অসম্ভব নয়। IELTS প্রস্তুতির আসল জাদু লুকিয়ে আছে ধারাবাহিকতায়—একটু একটু করে প্রতিদিন করলে অল্প সময়েই আপনি নিজেকে আরও ভালো অবস্থানে দেখতে পাবেন।

⭐ নতুনদের জন্য ছোট্ট মোটিভেশন
    • আপনি একদম নতুন মানেই আপনি পিছিয়ে আছেন—এমন নয়। বরং আপনি সঠিক দিক থেকে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন।
    • IELTS প্রস্তুতি মানে শুধু ইংরেজি শেখা নয়—এটা আপনার ধৈর্য, অভ্যাস ও সিদ্ধান্তের পরীক্ষা।
    • যদি নিয়মিত অনুশীলন করেন, তবে শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি নিয়েই আপনি খুব সহজে ৬.৫–৭ স্কোর পেতে পারেন।
    • হাজিরা নয়, ধারাবাহিকতা—এই একটাই গোপন রহস্য।

আইএলটিএস পড়ার রুটিন – নতুনদের জন্য কার্যকর পরিকল্পনা

IELTS প্রস্তুতি মানেই ভয়, চাপ বা জটিল কিছু—এমনটা অনেকেই ভাবে। কিন্তু বাস্তবে IELTS এমন একটি পরীক্ষা, যাকে আপনি চাইলে খুব সহজ, সুন্দর আর আনন্দদায়ক একটা রুটিন মেনে প্রস্তুতি নিতে পারেন। বিশেষ করে যারা একদম নতুন, তাদের জন্য শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি শুরু করাই সবচেয়ে ভালো। কারণ তখন আপনার শেখার পথটা একদম পরিষ্কার, ভুল অভ্যাস নেই, বিভ্রান্তি নেই—শুরু থেকেই সঠিক পথে এগোনো যায়।

ভাবুন তো, যদি প্রতিদিন ঘরে বসেই মাত্র ১ থেকে ১.৫ ঘণ্টা সময় দিয়ে ধীরে ধীরে একটি সুন্দর রুটিন তৈরি করতে পারেন, তাহলে মাত্র কয়েক সপ্তাহেই আপনি নিজের ইংরেজি স্কিলের দারুণ পরিবর্তন দেখতে পাবেন। তাই আজ আমরা এমন একটি বন্ধুত্বপূর্ণ এবং স্টুডেন্ট–ফ্রেন্ডলি রুটিন নিয়ে কথা বলবো, যা অনুসরণ করলে IELTS প্রস্তুতি আপনার কাছে কঠিন নয় বরং খুবই উপভোগ্য হয়ে উঠবে।

⭐ কেন আইএলটিএস পড়ার রুটিন দরকার?
  • IELTS প্রস্তুতি নিয়ে যারা চিন্তায় থাকেন, তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো “আমি কীভাবে শুরু করব?” এই প্রশ্ন। কিন্তু সত্যি কথা হলো—একটি ভালো, সহজ আর বাস্তবমুখী রুটিনই আপনার প্রস্তুতিকে অর্ধেক সহজ করে দিতে পারে। আর যারা শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি নিতে চান, তাদের জন্য তো রুটিন আরও গুরুত্বপূর্ণ।
  • IELTS-এ সফলতা পেতে হলে শুধু কঠোর পড়াশোনা করলেই হয় না—প্রয়োজন নিয়মিততা। ঠিক যেমন শরীরচর্চা করলে ধীরে ধীরে শরীর ঠিক হয়, তেমনই IELTS-এ প্রতিদিন একটু একটু করে অনুশীলন আপনাকে নিশ্চিত উন্নতি এনে দেবে। একটি রুটিন মানে হলো—কী পড়বেন, কবে পড়বেন, কতক্ষণ পড়বেন—সবই পরিষ্কার। এতে মাথায় চাপ কমে, মনোযোগ বাড়ে, আর প্রস্তুতিও হয় সঠিকভাবে। 
এখন প্রতিটি অংশ (Listening–Reading–Writing–Speaking) এমনভাবে ব্যাখ্যা করছি, যেন আপনার বুঝতে সুবিধা হয় এবং সঠিক গাইডলাইন পান-
⭐ 🔹 ১. Listening – ৩০ মিনিট (কিন্তু স্মার্টভাবে)
অনেকেই ভাবেন Listening মানে বসে IELTS অডিও শোনা—না! প্রথম দিকে IELTS অডিও শুনলে আপনার মাথা আরও ঘুরে যাবে। বরং প্রথম ৭–১০ দিন করুন এগুলো:

✔ প্রতিদিন ১০ মিনিট ইংরেজি নিউজ শুনুন
  • যেমন: BBC Minute, ABC News, Sky News—এগুলো খুব দ্রুত নয়, আবার বিরক্তিকরও নয়।
  • একদম কানে ইংরেজি লাগানোই লক্ষ্য।
✔ পরের ১০ মিনিট—আপনার পছন্দের টপিক
  • কেউ ট্রাভেল পছন্দ করে, কেউ ফুড, কেউ টেক। ইউটিউবে লিখুন:
  • “Travel vlog in English” বা “Easy English podcast”
  • যা পছন্দ করবেন, শুনতে ভালো লাগবে—এটাই Listening-এ উন্নতির অর্ধেক।
✔ শেষ ১০ মিনিট—IELTS Listening Practice
  • এখন আপনি অডিও চালিয়ে শুধু keywords শোনার চেষ্টা করুন। পুরোটা বুঝতে হবে না! শুরুতে লক্ষ্য শুধু কানকে অভ্যস্ত করা।
  • এইভাবেই Listening-এর দুনিয়া ধীরে ধীরে আপনার কানে ‘স্বাভাবিক’ হয়ে যাবে।
⭐ 🔹 ২. Reading – ২৫–৩০ মিনিট (স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করে)
Reading হলো ধৈর্য, গতি আর বুঝার খেলা।
শুরুতেই IELTS প্যাসেজ ধরলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। তাই প্রথম ১০ দিন—
  • ✔ ছোট আর্টিকেল পড়ুন
  • যেমন:
  • ✔ BreakingNewsEnglish
  • ✔ National Geographic ছোট আর্টিকেল
  • ✔ English Short News
কী করবেন পড়ার সময়?
→ প্রথম ৫ মিনিট শুধু স্কিম করুন (দ্রুত দেখুন)
→ পরের ১০ মিনিট আস্তে পড়ে বুঝুন
→ শেষ ১০ মিনিট নিজের ভাষায় ৩ লাইনে সারাংশ লিখুন
এতে তিনটা জিনিস তৈরি হবে:
1️⃣ গতি
2️⃣ শব্দভান্ডার
3️⃣ বোঝার ক্ষমতা
এরপর ধীরে ধীরে IELTS Reading প্যাসেজ শুরু করলে আর ভয় থাকবে না—যেন আগে থেকেই পরিচিত মনে হবে।

⭐ 🔹 ৩. Writing – ৩০ মিনিট (বাঞ্ছনীয়ভাবে এগোনোর পদ্ধতি)
Writing অনেকের সবচেয়ে ভয়ংকর জায়গা… কিন্তু তার আসল কারণ হলো—
তারা হঠাৎ করে ২৫০ শব্দের এসেই লিখতে বসে! এটা যেন সাইকেল না চালিয়ে সরাসরি মোটরবাইক চালাতে যাওয়ার মতো। নিচের মতো করে শুরু করলে Writing সহজ হয়ে যাবে—
✔ প্রথম ৭ দিন—ছোট প্যারাগ্রাফ
  • যেমন:
  • “Describe your daily routine in 5–7 lines”
  • “Why do people travel?”
  • “Benefits of reading books”
  • লক্ষ্য: নিজের ভয় দূর করা + লেখা চালু করা।
✔ এরপর Task 1 এর অনুশীলন
  • → গ্রাফ কীভাবে বর্ণনা করতে হয়
  • → লাইন গ্রাফ, বার চার্ট, পাই চার্ট—প্রথমে শুধু বর্ণনা দিন
  • → কমপ্লেক্স শব্দ লিখতে যাবেন না
✔ Task 2 লিখবেন সপ্তাহে ২ দিন
একবারে ২৫০ শব্দ না লিখে—
  • → প্রথমে শুধু Introduction
  • → পরে Body paragraph 1
  • → তারপর Body paragraph 2
  • → শেষে Conclusion
  • এইভাবে ভাগ করে লিখলে Writing আর কঠিন মনে হবে না।
⭐ 🔹 ৪. Speaking – ২০ মিনিট (বাস্তবসম্মত অনুশীলন)
Speaking এ ভালো করতে হলে ব্যাকরণ বা অ্যাকসেন্ট লাগবে না— সবচেয়ে দরকার হলো আত্মবিশ্বাস। আর সে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় প্রতিদিন ২০ মিনিটের ছোট অনুশীলনে:
✔ Step 1: ২ মিনিট একা একা কথা বলুন
যেকোনো বিষয়—
  • “Your favorite place”
  • “Your hobbies”
  • “Your school life”
  • মোবাইলে রেকর্ড করুন।
  • নিজের ভুল দেখে রেসপেক্ট করে ঠিক করুন।
✔ Step 2: একটি ইংরেজি কথা বলার স্ক্রিপ্ট দেখুন
  • ইউটিউবে লিখুন:
  • “IELTS Speaking Part 1 sample”
  • আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য অসাধারণ।
✔ Step 3: আয়নার সামনে অনুশীলন
  • নিজের মুখ দেখে কথা বললে আত্মবিশ্বাস দ্রুত বাড়ে।
  • এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।
⭐ টিপস: কোন সময়ে পড়লে IELTS-এ বেশি উন্নতি হয়?
আপনি যেই টাইমে সবচেয়ে সতেজ থাকেন—সেই সময়টি বেছে নিন।
অনেকে সকালে ভালো শিখে, কেউ রাতেও ভালো মনোযোগ দিতে পারে।
কিন্তু চেষ্টা করুন—
✔ প্রতিদিন একই সময়ে পড়তে
✔ মোবাইল দূরে রাখতে
✔ ১ ঘণ্টা টানা মনোযোগ দিয়ে পড়তে
এতেই শেখার গতি অনেক বেড়ে যাবে।

⭐ শেষ কথা: ছোট রুটিন, বড় ফলাফল
একটি ভালো রুটিন সবসময় জটিল হয় না—বরং সহজ হলেই ভালো। IELTS-এ সফলতা পেতে শুধু একটাই জিনিস লাগে— তা হল ধারাবাহিকতা। আপনি যদি প্রতিদিন মাত্র ১ ঘণ্টা এই রুটিনটি অনুসরণ করেন, তাহলে ২–৩ মাসেই চোখে পড়ার মতো উন্নতি বুঝতে পারবেন। একটি সুন্দর আইএলটিএস পড়ার রুটিন আপনার পুরো প্রস্তুতিকে গুছিয়ে দেবে এবং উন্নতি হবে চোখে পড়ার মতো।

IELTS-এর জন্য প্রয়োজনীয় গ্রামার: সহজভাবে শিখে স্কোর বাড়ান

IELTS-এ ভালো স্কোর পেতে প্রথমে যে জিনিসটি শক্তভাবে গড়ে তুলতে হবে সেটি হলো—গ্রামার। অনেকেই মনে করেন গ্রামার মানেই কঠিন নিয়ম, বইয়ের ভার, আর মাথা নষ্ট করা ফরমুলা! আসলে ব্যাপারটা এরকম না। যদি সঠিক দিক থেকে শুরু করেন, তবে গ্রামার শেখা হবে খুব সহজ এবং মজাদার। বিশেষ করে যারা শূন্য থেকেই IELTS প্রস্তুতি নিতে চান, তাদের জন্য তো গ্রামার হচ্ছে পুরো প্রস্তুতির ভিত্তি।

আজকের এই আর্টিকেলে আপনি জানতে পারবেন—IELTS-এ কোন কোন গ্রামার বেশি লাগে, কীভাবে সহজভাবে শিখবেন, এবং কিভাবে আপনার ভুল কমে যাবে। আর শেষে বলে দেব ঠিকমতো শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি PDF কিভাবে ডাউনলোড করব, যাতে আপনি নিজের পড়া আরও সুন্দরভাবে সাজাতে পারেন।

📌 কেন গ্রামার IELTS-এর জন্য এত জরুরি?
IELTS-এ চারটি অংশ—Listening, Reading, Writing, Speaking—সব জায়গায় গ্রামার কাজে লাগে। যেমন:
  • সঠিক বাক্য গঠন ছাড়া Writing-এ Band 6 এর উপরে ওঠা প্রায় অসম্ভব।
  • Speaking-এ সাবলীলভাবে কথা বলতে গেলে টেন্স, বাক্য গঠন, linking devices দরকার।
  • Reading ও Listening-এও প্রশ্নগুলো দ্রুত বুঝতে গ্রামার হেল্প করে।
  • অর্থাৎ, IELTS-এ গ্রামার মানে শুধু নিয়ম জানা নয়—বরং নিজেকে পরিষ্কারভাবে, সুন্দরভাবে প্রকাশ করা।
1️⃣ Tenses – ইংরেজির ভিত্তি
IELTS-এ কথা বলা হোক বা লেখা—সবকিছুই টেন্সের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। সঠিক টেন্স ব্যবহার আপনার বাক্যকে পরিষ্কার ও প্রফেশনাল করে তোলে। অনেক সময় examiner টেন্স দেখে-ই বুঝে ফেলেন আপনি কতটা দক্ষ। তাই টেন্স ভালো না জানলে উচ্চ ব্যান্ড স্কোর পাওয়াই কঠিন। শুরু এখান থেকেই! কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  • Writing Task 1-এ সময়ের পরিবর্তন বোঝাতে past & present perfect tense সবসময় লাগে।
  • Speaking-এ fluency দেখানোর জন্য টেন্সের সঠিক ব্যবহার আপনার Band score বাড়িয়ে দেয়।
2️⃣ Sentence Structure – Simple, Compound, Complex
IELTS Writing-এ আপনার ভাষার মান দেখাতে complex sentence অপরিহার্য। এটি না জানলে আপনার লেখা খুবই সাধারণ ও দুর্বল দেখায়। কিন্তু একটু অনুশীলন করলেই complex sentence সহজ হয়ে যায়। পাঠক যেন দেখে—“এই ব্যক্তি ইংরেজিতে সত্যিই পারদর্শী।” ব্যান্ডও তখন বেড়ে যায়!
IELTS Writing-এর প্রাণ হলো—complex sentences। কিভাবে কাজে লাগে?
  • Writing Task 2-এ complex sentence না থাকলে Band 5.5–6 এর বেশি পাওয়া কঠিন।
  • এটি আপনার ভাষার depth এবং maturity দেখায়।
  • উদাহরণ: Although many people think..., I believe...
3️⃣ Modal Verbs – মতামত ও পরামর্শের ভাষা
Should, Could, Might, Must—এসব modal verb IELTS Speaking ও Writing-এ বিশেষ ভূমিকা রাখে। মতামত, অনুমান বা পরামর্শ দিতে এগুলো অপরিহার্য। Examiner modal verbs ব্যবহার দেখেই বুঝতে পারেন আপনি fluent কিনা। তাই modal verbs শেখা সহজ হলেও স্কোর বাড়ানোর ক্ষমতা দারুণ! Speaking ও Writing-এ মতামত প্রকাশ, পরামর্শ, সম্ভাবনা—সব জায়গায় modal verbs লাগে।
উদাহরণ: People should recycle more to protect the environment.

4️⃣ Articles (a, an, the) – ছোট ভুল, বড় ক্ষতি
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি ভুল হয় articles-এ। ছোট মনে হলেও IELTS-এ এ ভুলগুলো grammar score কমিয়ে দেয়। সঠিকভাবে article ব্যবহার করলে আপনার writing আরও সুন্দর ও নিখুঁত দেখায়। তাই “a–an–the”—এই তিনটি শব্দই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি নম্বর কাটা যায় এখানেই।
  • IELTS examiner article mistake খুব সহজে ধরতে পারে।
  • Writing-এ ১০টির মধ্যে ৪–৫টি ভুলই হয় article-এ!
5️⃣ Subject–Verb Agreement – বাক্যের সঠিক মিল
যে বিষয় (subject) একবচন–বহুবচন, verb-ও সেটার সাথে মিলতে হবে। IELTS Writing-এ এই ভুল করা মানে grammar band সরাসরি কমে যাওয়া। খুব ছোট একটি নিয়ম, কিন্তু আপনার পুরো writing–এর মান বদলে দিতে পারে। তাই sentence লিখার সময় subject–verb matching অবশ্যই প্র্যাকটিস করুন। বাক্যে subject এবং verb-এর সঠিক মিল। উদাহরণ–
  • ❌ People likes to travel
  • ✔ People like to travel
  • IELTS Writing-এ এটি ভুল হলে grammar score কমে যায়।
6️⃣ Active & Passive Voice – Writing Task 1-এর হিরো
গ্রাফ, চার্ট, প্রক্রিয়া—Task 1-এ passive voice অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Passive voice ব্যবহার করতে পারলে আপনার রিপোর্ট অনেক বেশি প্রফেশনাল দেখায়। examiner-ও ভাববে, “ওহ… এই শিক্ষার্থী তো academic writing বেশ ভালোই বুঝে!” তাই active–passive voice আয়ত্ত করা জরুরি। খুব গুরুত্বপূর্ণ Writing Task 1-এর জন্য (graph/report)।
  • ডাটা বর্ণনা করতে passive voice বেশি ব্যবহৃত হয়।
  • উদাহরণ: The number of users was increased dramatically.
7️⃣ Conditionals (If Sentences) – অনুমান ও যুক্তি প্রকাশ
IELTS Writing Task 2-এ যুক্তি, ধারণা বা পরিণতি বোঝাতে conditional sentence দারুণ কাজে লাগে। If–clause ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারলে আপনার লেখা আরও যুক্তিসংগত ও logical মনে হয়। Speaking-এও এটি আপনাকে আরও স্পষ্টভাবে মতামত দিতে সাহায্য করবে। দুর্দান্ত একটি skill! Opinion, imagination, suggestion—Writing Task 2-এ খুব ব্যবহৃত।
  • উদাহরণ If governments invested more in education, society would benefit.
8️⃣ Prepositions – ছোট শব্দ, কিন্তু কঠিন নিয়ম
In, On, At, By, For—এই preposition গুলো ছোট হলেও ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। IELTS-এ location, time, reason—যা-ই বলেন না কেন, preposition লাগে। ভুল হলে examiner তৎক্ষণাৎ ধরতে পারেন। প্র্যাকটিসই এখানে একমাত্র উপায়।

9️⃣ Clauses – বাক্যের গভীরতা বাড়ানোর চাবিকাঠি
Noun clause, Adjective clause, Adverb clause—এগুলো আপনার বাক্যে depth তৈরি করে। IELTS Writing ও Speaking-এ এগুলো ব্যবহার করলে আপনার বাক্য আরও সংযুক্ত, স্পষ্ট এবং mature মনে হয়। examiner বুঝবেন আপনি advanced grammar ব্যবহার করতে পারেন। স্কোরও তখন উপরের দিকে!

🔟 Linking Words – লেখা ও কথায় flow তৈরি
However, Moreover, Therefore—এসব linking word ব্যবহার করলে আপনার লেখায় flow তৈরি হয়। বাক্যগুলো পরস্পর সুন্দরভাবে যুক্ত থাকে। Speaking-এও এগুলো কথাকে আরও smooth করে তোলে। IELTS examiner সবসময় দেখে আপনি ideas কিভাবে connect করছেন। এগুলো আপনার Writing ও Speaking-কে আরও প্রাকৃতিক এবং প্রফেশনাল করে তোলে। শুধু linking word শেখলেই Writing অনেক উন্নতি হয়।

🎯 কীভাবে সহজে IELTS গ্রামার শিখবেন? – ৫টি বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসূ টিপস

১। ছোট গ্রামার না, অভ্যাস গড়ে তুলুন
  • IELTS গ্রামার শিখতে হলে শুরুতে জটিল নিয়ম মুখস্থ করার দরকার নেই। বরং প্রতিদিন ছোট ছোট অভ্যাস তৈরি করুন—২–৩টি বাক্য লিখুন, ইংরেজি খবর শুনুন এবং নতুন শব্দ দিয়ে simple sentence বানান। নিয়মিত অনুশীলন করলে গ্রামার স্বাভাবিকভাবে মাথায় বসে যায়। শুরুটা ছোট রাখলেই শেখা অনেক সহজ হয়ে যায়।
২। শূন্য থেকে শেখার মতো ভিডিও ও নোট ব্যবহার করুন
  • অনেকে জানে না—সঠিক রিসোর্স বেছে নিলেই শেখা দ্বিগুণ সহজ হয়। Beginner-friendly ভিডিও, সহজ ব্যাখ্যাসহ নোট বা ব্যাকরণ বই ব্যবহার করলে গ্রামার ভয়ের বিষয় না হয়ে আনন্দ হয়ে যায়। আপনি চাইলে শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি রিসোর্সও ব্যবহার করতে পারেন, যা নতুনদের জন্য দারুণ কার্যকর।
৩। Writing & Speaking-এ গ্রামার ব্যবহার করে প্র্যাকটিস করুন
  • শুধু পড়লেই হবে না—ব্যবহার করাই সাফল্যের চাবিকাঠি। প্রতিদিন ১০ মিনিট Writing এবং ৫ মিনিট Speaking প্র্যাকটিস করুন। শিখেছেন যেসব tense, modal verb, connector—এসব বাক্যে প্রয়োগ করুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ভুলগুলো নিজেই ধরা পড়ে, আর আত্মবিশ্বাসও দ্রুত বাড়ে। IELTসে এটাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
৪। ভুলগুলো নোট করে mini-revision করুন
  • IELTS গ্রামার শেখার সবচেয়ে স্মার্ট টেকনিক হলো নিজের ভুলগুলো নোট রাখা। প্রতিদিনকার ভুল—preposition, tense, articles—এসব আলাদা পাতায় লিখে রাখুন। সপ্তাহে একদিন ১০ মিনিট রিভিশন করলে আপনার দুর্বলতা সহজেই শক্তিতে পরিণত হয়। এই ছোট অভ্যাসই ব্যান্ড বাড়ানোর গোপন রহস্য।
৫। ফ্রি PDF ও অনলাইন প্র্যাকটিস রিসোর্স ব্যবহার করুন
  • IELTS-এ ভালো স্কোর পেতে ফ্রি রিসোর্স ভীষণ দরকারি—বিশেষ করে নতুনদের জন্য। চাইলে আপনি শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি pdf কিভাবে ডাউনলোড করব এই সার্চ করে অসংখ্য PDF, প্র্যাকটিস শিট ও গ্রামার গাইড পেয়ে যেতে পারেন। নিয়মিত এগুলো দিয়ে প্র্যাকটিস করলে গ্রামার আপনার দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি হয়ে যাবে।

শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি PDF বা কোন বই সবচেয়ে ভালো?

IELTS শুরু করতে গেলে সবার প্রথম প্রশ্নই থাকে—শূন্য থেকেই IELTS প্রস্তুতি নেবো কীভাবে? আর কোন বই বা PDF আসলে নতুনদের জন্য সবচেয়ে ভালো? সত্যি বলতে, শুরুতে এত রিসোর্স সামনে আসলে মাথা গরম হয়ে যায়, কোনটা ধরবেন আর কোনটা বাদ দেবেন বুঝতেই পারেন না। কিন্তু চিন্তা নেই—সঠিক বই বেছে নিলেই আপনার প্রস্তুতি তিনগুণ সহজ হয়ে যায়।
শূন্য-থেকে-ielts-প্রস্তুতি-PDF
IELTS শিখতে হলে এমন বই দরকার যেগুলো খুব সহজ ব্যাখ্যা, টপিক-ভিত্তিক গ্রামার, প্র্যাকটিস প্রশ্ন এবং মডেল উত্তরসহ সাজানো থাকে। এ ধরনের বই নতুনদের জন্য ঠিক যেন শিক্ষক পাশে বসে বুঝিয়ে দিচ্ছেন—এমন অনুভূতি তৈরি করে। এজন্যই শুরুতেই অনেক বেশি অ্যাডভান্স বই ধরার কোনো দরকার নেই। বরং সহজ, বোঝার মতো, স tep-by-step বইই আপনার শেখার ভিত্তি শক্ত করবে।

নতুনদের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজ বই হলো—
  • Cambridge IELTS Series (1–18)।
এগুলোতে বাস্তব পরীক্ষার প্রশ্ন, উত্তর এবং ব্যান্ড ৯ মডেল উত্তর থাকে। তবে শুরুতে এগুলো একটু কঠিন লাগতে পারে। তাই প্রথমে এমন বই বেছে নিন যা “ব্যাকরণ + স্কিল + প্র্যাকটিস”—এই তিনটি একসাথে শেখায়। যেমন:
  • English Grammar in Use – Raymond Murphy
  • Barron’s IELTS Superpack
  • Collins English for IELTS Series
এগুলো IELTS-এর চারটি অংশই অনেক সহজ করে সাজানো, তাই নতুনদের জন্য এগুলো আদর্শ। এখন অনেকেই জানতে চান—শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি PDF কিভাবে ডাউনলোড করব? খুব সহজ। গুগলে বইয়ের নাম লিখে “PDF free download” সার্চ দিলে অসংখ্য রিসোর্স পাওয়া যায়। এছাড়া ব্রিটিশ কাউন্সিল ও IELTS.org–এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও প্রচুর ফ্রি স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, প্র্যাকটিস টেস্ট এবং স্কিল-বেসড PDF আছে। চাইলে এগুলোই শুরুর জন্য ব্যবহার করতে পারেন—একদম বিশ্বস্ত এবং একদম ফ্রি।

সবচেয়ে ভালো হয় যদি আপনি একটি—
  • ✔ গ্রামার বই
  • ✔ স্কিল-বেসড বই (Listening/Reading/Writing/Speaking)
  • ✔ প্র্যাকটিস টেস্ট বই
এই তিনটি মিলিয়ে প্রস্তুতি নেন। এতে আপনার শেখা আরও দ্রুত, পরিষ্কার এবং সংগঠিত হয়। অনেকেই ভাবে IELTS মানে বিশাল কঠিন ব্যাকরণ আর কঠিন ভোকাবুলারি। কিন্তু আসলে তা নয়। সঠিক বই, নিয়মিত প্র্যাকটিস আর পরিষ্কার ধারণা থাকলে শূন্য থেকেই IELTS প্রস্তুতি নেয়া খুবই সহজ। আপনি বই ঠিকমতো বেছে নিলে বাকিটা শুধু ধারাবাহিক অনুশীলন।

শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি PDF ফ্রিতে ডাউনলোড করবেন কীভাবে? 

IELTS শুরু করতে গেলে সবাই প্রথমে বই বা PDF খুঁজতে শুরু করে। কিন্তু এত বেশি রিসোর্স দেখে মাথা ঘুরে যায়—কোনটা ভালো? কোনটা আসল? কোথা থেকে পাব? বিশেষ করে যখন আপনি শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি শুরু করছেন, তখনই সঠিক PDF গাইড আপনার পড়াশোনাকে অনেক সহজ করে দেয়। তাই আজ জানবেন—কীভাবে সহজেই ফ্রি IELTS প্রস্তুতির PDF ডাউনলোড করবেন।

সবচেয়ে আগে জেনে রাখা দরকার, ফ্রি PDF বলতে সবসময় কপিরাইট ভাঙা বই বোঝায় না। অনেক অফিসিয়াল প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বৈধভাবে ফ্রি রিসোর্স দেয়। যেমন—ব্রিটিশ কাউন্সিল, IDP, IELTS.org এর মতো বিশ্বস্ত সোর্সে প্রচুর ফ্রি IELTS PDF, মডেল টেস্ট ও ব্যান্ড ৯ এর উদাহরণ দেওয়া থাকে। তাই নতুনরা নিশ্চিন্তে এখান থেকেই শুরু করতে পারেন।

PDF ডাউনলোড করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো—সঠিক কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করা। আপনি গুগলে লিখতে পারেন “শূন্য থেকে IELTS প্রস্তুতি PDF কিভাবে ডাউনলোড করব”, “Free IELTS preparation PDF” বা “British Council IELTS PDF free”—এতে মুহূর্তেই প্রচুর ফ্রি রিসোর্স পেয়ে যাবেন। শুধু সোর্সটা নিশ্চিত করুন যেন সেটি নিরাপদ এবং অফিসিয়াল হয়।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু অত্যন্ত কার্যকর PDF হলো:
    • British Council – IELTS Starter Guide PDF
    • IDP – IELTS Essential Grammar PDF
    • Cambridge Sample Test PDF
    • Barron’s IELTS Practice PDF (Free Sample Version)
এগুলো একেবারে নতুনদের উপযোগী, এবং স্টেপ–বাই–স্টেপ ব্যাখ্যাসহ সাজানো। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো—এই PDF-গুলোতে Listening, Reading, Writing, Speaking—সবগুলোই আলাদা করে ব্যাখ্যা করা থাকে। ফলে আপনি নতুন হলেও কোন অংশ দিয়ে শুরু করবেন, কিভাবে প্র্যাকটিস করবেন—এসব দ্রুত বুঝে যাবেন। 

প্রথম থেকে IELTS প্রস্তুতি নিলে এ ধরনের সাজানো PDF আপনার শেখার গতিকে আরও দ্রুত ও সহজ করে দেয়। PDF পাওয়ার পর সেটি সেভ করে রেখে প্রতিদিন ৩০–৪০ মিনিট পড়লে খুবই অল্প সময়ে আপনি IELTS সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়ে যাবেন। আর ভালোভাবে বুঝতে চাইলে বই–PDF–ভিডিও—এই তিনটি মিলিয়ে পড়াশোনা করলে সবচেয়ে দ্রুত উন্নতি দেখা যায়।

সবশেষে, মনে রাখবেন—PDF শুধু রিসোর্স, কিন্তু আপনার নিয়মিত অনুশীলনই আপনাকে সফল করবে। তাই PDF ডাউনলোড করা শেষ নয়; বরং এখান থেকেই আপনার প্রকৃত IELTS যাত্রার শুরু।

❓ শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি – FAQ

প্রশ্ন ১ঃ ঘরে বসেই IELTS প্রস্তুতি নিলে কি ভালো স্কোর করা সম্ভব?
উত্তরঃ হ্যাঁ, একদম সম্ভব। যদি আপনি একটি সুসংগঠিত স্টাডি প্ল্যান অনুসরণ করেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে Listening, Reading, Writing এবং Speaking–এ অনুশীলন করেন, আর নিজের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোতে কাজ করেন, তাহলে ঘরে বসেও ভালো স্কোর পাওয়া যায়। নিয়মিত প্র্যাকটিসই মূল চাবিকাঠি।

প্রশ্ন ২ঃ আমি কি এই PDF গুলো বিনামূল্যে পেতে পারি?
উত্তরঃ হ্যাঁ, অনেক অনলাইন সাইট ও শিক্ষার্থী ফেসবুক গ্রুপে কিছু PDF ফ্রি পাওয়া যায়। তবে আমরা সবসময় অফিসিয়াল বা বিশ্বস্ত সোর্স থেকে বই ও PDF ব্যবহার করার পরামর্শ দেই। এতে আপনি আসল পরীক্ষার কাঠামো ও বাস্তব পরিস্থিতির সাথে পরিচিত হতে পারবেন, যা প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করে।

প্রশ্ন ৩ঃ IELTS-এর জন্য কোচিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তরঃ কোচিং না থাকলেও প্রস্তুতি নেওয়া যায়, কিন্তু একটি ভালো কোচিং সেন্টার আপনাকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়। যেমন Banglay IELTS–এর শিক্ষকরা আপনার দুর্বলতা শনাক্ত করে ব্যক্তিগত পরামর্শ দেন, এবং প্র্যাকটিসের সময় ভুলগুলো ঠিক করতে সাহায্য করেন। এর ফলে স্কোর দ্রুত উন্নতি করতে পারে।

প্রশ্ন ৪ঃ IELTS প্রস্তুতি শুরু করার জন্য কোন মডিউলটি আগে নেওয়া উচিত?
উত্তরঃ প্রাথমিকভাবে Listening ও Reading দিয়ে শুরু করা সুবিধাজনক। কারণ এই দুইটি মডিউলে নির্দিষ্ট কৌশল ও নিয়ম অনুসরণ করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়। Writing ও Speaking–এ ধীরে ধীরে শব্দভান্ডার, বাক্যগঠন ও ব্যাকরণ শক্তিশালী করা দরকার। সঠিক ধারাবাহিকতা আপনার প্রস্তুতিকে আরও ফলপ্রসূ করে।

প্রশ্ন ৫ঃ IELTS-এর জন্য দৈনন্দিন কতক্ষণ প্রস্তুতি নেওয়া ভালো?
উত্তরঃ শুরুতে প্রতিদিন ১–২ ঘণ্টা যথেষ্ট। Listening, Reading, Writing, Speaking—প্রতিটি ভাগে ছোট ছোট সেশন করুন। উদাহরণস্বরূপ: ৩০ মিনিট Listening, ৩০ মিনিট Reading, ৩০ মিনিট Writing, ২০ মিনিট Speaking। সময়কে নিয়মিত ও ধারাবাহিক রাখলে দ্রুত উন্নতি দেখা যায়।

প্রশ্ন ৬ঃ আমি কত ব্যান্ড স্কোর লক্ষ্য করব?
উত্তরঃ নতুনদের জন্য প্রথম লক্ষ্য রাখতে পারেন Band 5.5–6। এরপর ধীরে ধীরে Band 7 বা তার বেশি। শুরুতে শুধু নিজের ভুল ধরার এবং ধারাবাহিক প্র্যাকটিসের উপর ফোকাস করুন। সঠিক রুটিন ও ভালো রিসোর্স থাকলে উচ্চ ব্যান্ড স্কোর অর্জন সম্ভব।

প্রশ্ন ৭ঃ Speaking-এ ভয় লাগলে কী করা উচিত?
উত্তরঃ নিজের সাথে কথা বলার অভ্যাস তৈরি করুন। মোবাইলে রেকর্ড করুন, আয়নার সামনে অনুশীলন করুন। ছোট ছোট টপিক দিয়ে শুরু করুন। ধীরে ধীরে confidence বাড়বে। মনে রাখবেন, পরীক্ষা দেয়ার সময় examiner আপনার fluency, grammar, vocabulary—সব দেখবে, তাই ছোট ছোট প্র্যাকটিস খুব কাজে আসে।

শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি সে সম্পর্কে আমার নিজস্ব অভিমত

আজকের আর্টিকেলে IELTS কি??  শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি নেওয়ার ধাপে ধাপে গাইড, আইএলটিএস পড়ার রুটিন এবং প্র্যাকটিস টিপস, Ielts এর জন্য প্রয়োজনীয় গ্রামার এবং কার্যকরী কৌশল, শূন্য থেকে ielts প্রস্তুতি pdf বা কোন বই সব থেকে ভালো হবে এই সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

আমার অভিজ্ঞতা বলছে, প্রথম থেকে IELTS প্রস্তুতি শুরু করা মোটেই ভয়ঙ্কর নয়। ছোট ছোট ধাপ ধরে নিয়মিত অনুশীলন করলে প্রতিটি মডিউল সহজ হয়ে যায়। ব্যক্তিগতভাবে দেখেছি, যারা ধৈর্য ধরে পরিকল্পনা অনুযায়ী পড়াশোনা করেছে, তাদের স্কোর ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ঘরে বসেও ভালো স্কোর সম্ভব, শুধু প্রয়োজন সঠিক রিসোর্স, নিয়মিত প্র্যাকটিস এবং নিজের দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করা। 

তাই যারা নতুন, তাদের জন্য আমার পরামর্শ—ভয় করবেন না, ছোট ছোট লক্ষ্য দিয়ে আজ থেকেই শুরু করুন। একদিন দেখবেন, শূন্য থেকে শুরু করে নিজের অজান্তেই আপনি উন্নতি করছেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মাল্টিম্যাক্স আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন।

comment url